-->

চুল পড়া বন্ধ করার ১০০% সহজ ঘরোয়া উপায়-how to stop hair loss 2021

অতিরিক্ত চুল পড়া বন্ধ করার উপায়-stop hair loss & regrow hair naturally at home



আপনার যদি অতিমাত্রায় চুল ঝরে পড়ে তাহলে এটা অবশ্যই চিন্তার কারন। তবে আপনাকে ঠিক সময় সঠিক ব্যবস্থা নিতে হবে। চুল পড়া বন্ধ করতে হবে। তবে চুল পড়া বন্ধ করার আগে জানতে হবে কি কারনে চুল ঝরে পড়ছে।

মানুষের শরীরে নানা ধরনের অসুখ বা রোগবালার আক্রমণ হলে হয়ে থাকে। কিছু কিছু  সমস্যার সমাধান করা গেলেও কিছু জিনিস সমাধান করা যায় না বয়ে বেড়াতে হয় আজীবন।

এর মধ্যে একটি সমস্যা হচ্ছে চুল পড়ার সমস্যা। এই চুল পড়ার সমস্যা কারো হয়ে থাকে খুবই অল্প বয়সে আবার কারো একটা নিদিষ্ট বয়সে। বর্তমানে কম বেশি সবাই এই সমস্যার সম্মুখীন।

 নানা কারনে চুল পড়তে তার বিস্তারিত নিয়ে আজকের পোস্ট। চুল পড়ার কারন গুলো জানতে পুরো পোস্ট টা ধৈর্য সহকারে পড়ুন। তো চলুন জেনে নেয়া যাক কি কি কারনে চুল পড়ে।


চুল পড়ার কারনঃ বিভিন্ন কারনে চুল পড়ার সমস্যা হতে পারে 


১.নিয়মিত চুলের যত্ন না নেয়া

২.বংশ গত কারনে। যদি আপনার বংশে কারো চুল উঠার সমস্যা থাকে বা কারো যদি টাক থাকে তাহলে আপনার ও হতে পারে।

৩.কম ঘুমালে। আপনি যদি পযাপ্ত পরিমানে না ঘুমান তাহলে হতে পারে।

৪.পানির সমস্যা কারনে।আপনার পানিতে যদি আয়রন জনিত সমস্যা থাকে তাহরে হতে পারে।

৫.প্রোটিনের ঘাটতি থাকলে।

৬. চুলে জেল  বা বিভিন্ন হেয়ার প্রোডাক্ট এর জন্য।

৭.  চুলে খুশকি জমতে দিলে।

৮. ডায়বেটিস জনিত সমস্যার কারনে চুল পড়ে থাকে।

৯. গর্ভকালীন সময়ে সন্তুান জন্মের পর চুল উঠতে পারে।

১০. মানসিক দুশ্চিন্তার কারনে

আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে এগুলোর মধ্যে কোনটার কারনে আপনার চুল ঝরছে।{tocify} $title={Table of Contents}

চুল পড়ার লক্ষনঃ

কিভাবে বুঝবেন যে আপনার যে চুল উঠছে এটা স্বাভাবিক না অস্বাভাবিক। যদি আপনার দিনে ৪০-৮০ টি চুল ঝরে তাহলে এটা স্বাভাবিক তবে এর বেশি হলে আপনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা  নেয়া উচিত। এজন্য আপনি ভালো মানে একজন চিকিৎসক পরামর্শ গ্রহন করতে পারেন।

চুলের যত্নে কিছু কথা

চুলের যত্নে প্রথমে আপনাকে নিয়মিত মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে হবে। চুলে খুশকি জমতে দেয়া যাবে না।আপনার উচিত হবে আপনার ব্যবহারিত স্যাম্পু বা কন্ডিশনার বদলে ফেলা কারন হয়তো আপনার মাথার সাথে স্যুট করে না। প্রতিদিন চুল আচড়াবেন,তবে জোরে চাপ দিয়ে করা যারে না এতে  আপনার মাথার ত্বক ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। ভিজা চুলে বেশি সময় থাকবেন না।

মাথা সেভ করা

অনেকের ধারনা হয়তো মাথা ঘনো ঘনো সেভ করলে নতুন চুল গজায়। কিন্তু এটা একেবারে ভুল ধারনা মাথা ঘনো ঘনো সেভ নতুন চুল কখনো গজায় না। হ্যা তবে উপকারিতা রয়েছে যেমন মাথায় খুশকি থাকলে তা দূর হয়।

চুলে গাম জমতে দেয়া যাবে না। গামছা পরিবর্তে তোয়লে ব্যবহার করুন। চুল উঠার সময় চিরুনির চিকন অংশ ব্যবহার করবেন না মোড়া দিক দিয়ে চুল আচড়াবেন। নক দিয় মাথা চুলকাবেন না এতে আপনার চুলের গোড়া ক্ষতি গ্রস্থ হতে পারে। মানসিক দুশ্চিন্তা করা যাবে না।


ঘরোয়া পদ্ধতিতে চুল পড়ার সমাধান: চুল পড়ার সমস্যা সমাধানের জন্য আপনি ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।

১.পেয়াজের ব্যবহারঃ পেয়াজের রস চুল পড়া বন্ধ করতে অন্যতম ভূমিকা পালন করে। পেয়াজের রস নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। ১-২ চামচ লেবুর সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।

২. মেহেদি পাতাঃ মেহিদি পাতা আপনার চুলের গড়া শক্ত করে ২ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে ব্যবহার করুন।

ভিনেগার বা গিসারিন ব্যবহার করতে পারেন।

মাথার ত্বক তেলতেলে হলে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুবেন এবং রেবুর রস ব্যবহার করবেন।


নিয়মিত চুলে তেল মালিশ করবেন সেটা হতে পারে নারিকেল তেল বা আপনি যে তেল ব্যবহার করেন তবে আমলা জাতীয় তেল ব্যবহার করলে বেশি ভালো হয়।

তেলের সাথে ভিটামিন ই ক্যাপসুল দিয়ে দেখতে পারেন এতে ভালো ফল পাবেন। আমলকি ও জবা এক সঙ্গে মিলিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।

আর আপনার শরীরের ভিটামিনের চাহিদা অবশ্যই পুরন করতে হবে এজন্য প্রচুর পরিমানে শাক সবজি ও ভিটামিন সি জাতীয় খাবার গ্রহন করতে হবে।

আর রাতে পযাপ্ত পরিমানে ঘুমান। এক মানুষের ৫ ঘন্টা ঘুমানো উচিত।

যদি ঘরোয়া পদ্ধতিতে ট্রাই করার পর যদি আপনার চুল পড়া না কমে তাহলে আপনি নিকটস্থ হেয়ার স্পেশালিস্ট চিকিৎসকের কাছ থেকে পরামর্শ নিতে হবে।

বিভিন্ন জ্বরের লক্ষন ও এর প্রতিকার সূমহ (২০২১) পাঠ ১-Health Tips in Bangla-2021

সর্দি জ্বর খুবই কমন ও পরিচিত একটি অসুখ বছরের যে কোনো সময় এ অসুখে আক্রান্ত হতে পারে যে কেউ। এমন কেউ নেই যে বলতে পারবে তার কখনো সর্দি জ্বর হয় নি। একটি ফ্যামিলি বা পরিবারের একজন জনকে যদি হয় তাহলে বাকি  রাও আক্রান্ত হতে পারে। এটা সর্দি বা ক্যাটারাল ভাইরাস বা এক প্রকার জীবানু নামে পরিচিত।

 

বিভিন্ন জ্বরের লক্ষন ও এর প্রতিকার সূমহ পাঠ ১-Health Tips in Bangla-2021
বিভিন্ন জ্বরের লক্ষন ও এর প্রতিকার-trophybd

সর্দিজ্বরে আক্রান্ত হওয়া ব্যক্তির হাঁচি ও কাশি ও নাক দিয়ে পানি ঝরতে থাকবে। আরো অনেক লক্ষন দেখা দিবে যেমন গায়ে ব্যাথা, সামান্য শীতবোধ,দেহের উত্তাপ,মানসিক অস্থির অনুভব করা,কাশি,নাকে রক্ত সঞ্চয়,গলায় ঘা,চোখ ও নাক লাল দেখা যায় ও মাথায় ব্যাথা হয়। 

অনেক কারনে হতে পারে যেমন এলারজির জন্য ও সর্দিজ্বর হতে পারে । সর্দিজ্বরে আক্রান্ত মানুষের আশেপাশে থাকলে বা আবহওয়া পরিবর্তনের সাথে সাথে এই রোগ হতে পারে। তবে এটা কোনো মহামারী আকারে হবে না। বৃষ্টির পানিতে ভেজা,ফ্রিজের ঠান্ডা পানি বা অতিরিক্ত ঠান্ডা কিছু খাওয়া থেকে এই এই রোগ হতে পারে।

সর্দি জ্বরের লক্ষনঃ

১। নাক দিয়ে প্রচুর পানি পড়ে ।

২। প্রথমে হঠাৎ করে নাকে জ্বালা ও হাঁচি শুরু হয় ।

৩। গায়ে সামান্য তাপ থাকে ।

৪। মাথা ব্যাথা ও ভার অনুভব হয় ।

৫। গায়ের তাপ বাড়ে এটা হাত দিলে বুঝা যাবে এবং এটা দীর্ঘ সময় পর্যন্ত থাকবে।

৬। পুরো মাথা,কপাল এবং কানে বাথ্যা হতে দেখা যাবে।

৭। ঘন হলুদ সর্দি বের হতে পারে এবং এজন্য শ্বাস কষ্ট হবে।

কিছু প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা

১। ঠাণ্ডা থেকে দূরে থাকতে হবে সেটা খাবার হতে ও হতে পারে বা ঠান্ডা আবহাওয়া হতে পারে।

২। ধুলাবালির জায়গা এড়িয়ে চলতে হবে। এটা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর প্রয়োজনে নাকে রুমাল ব্যবহার করুন।

৩। বিশ্রাম নিতে হবে। এটা শরীরের জন্য খুবই দরকার।

৪। মৌসুমি ফল বা সিজিনের খাওয়া ভাল । যেমর আম জাম,কাঁঠাল ইত্যাদি।

এ রোগ বা অসুখের কিছু চিকিৎসা

১। মাথা ব্যাথা,গায়ে ব্যাথা ও জ্বরের জন্য শিশুদের ক্ষেত্রে নাপা-Napa বা ফাস্ট-Fast বা এস ওয় দিতে হবে 

২। বড়দের জন্য নাপা-Napa ট্যাবলেট বা ace ট্যাবরেট ও fast ট্যাবলেট দিতে পারেন।

এই অসুধ গুলো ঠান্ডা বা সর্দি জ্বরের জন্য ব্যবহার করতে পারেন। তবে খুব বেশি খারাপ অনুভব করলে অবশ্যই নিকটস্থ ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহন করুন।

ডেঙ্গু জ্বর

বিভিন্ন জ্বরের লক্ষন ও এর প্রতিকার সূমহ পাঠ ১-Health Tips in Bangla-2021
ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষন ও এর প্রতিকার-Trophybd

 

ডেঙ্গু জ্বর একটা ভাইরাস জনিত রোগ। যা হয়ে থাকে মশার কামড় থেকে। । এটা বিশেষ করে গ্রাম ও বাড়ির আশেপাশে জঙ্গল বা বদ্ধ জরাশয় থেকে হয়ে থাকে। কারন জঙ্গর বা বদ্ধ জলাশয়ে মশার জন্ম বিস্তার হয়। ফলে একটা মশা থেকে হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ মশার জন্ম হয়। এই রোগ সারা বছর হতে পারে তবে মূলত বর্ষা কালে এর প্রভাব বেড়ে যায়। একজনের থেকে অন্য ব্যক্তির মাঝে এই রোগ ছড়ায় না। ডেঙ্গু জ্বর সাধারনত মেয়ে এডিস মশার কামুড়ে ছড়ায়। Aedes aegypti,Aedes albopictus।

ডেঙ্গু মশার পরিচয় 

ডেঙ্গু মশা বা মেয়ে এডিস মশা এরা আকারে একটু বড় হয় ও এদের গায়ে ডোরা কাঁটা দাগ থাকে। ডেঙ্গু মশার কামড় এতোটা ভংয়মকর হতে পারে যে

অনেক সময় মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষন সমুহঃ

• উচ্চ তাপমাত্রা দেখা যাবে ৩-৭দিন 

• প্রচণ্ড মাথা ব্যাথা দেখা দিবে

• চোখের পিছনে ব্যাথা অনুভব হবে

• সারা শরীরের মাংসে এবং গিঁটে গিঁটে ব্যাথা সৃষ্টি হবে যা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকবে।

এর আরো কিছু লক্ষন আছে যেমন চামড়ার নিচে ছোট ছোট লাল ফুসকুড়ি (rash) হবে। জ্বরের দ্বিতীয় দিন দেখা দিবে অথবা জ্বর কমে যাওয়ার (৪-৭দিন)পর।দাঁতের গোঁড়া থেকে ও নাক থেকে রক্ত বের হতে পারে। 

এই সমস্ত লক্ষণ দেখা দিলেও কিছু মানুষ অল্প কিছু দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যেতে পারে। এই সময় বুকে এবং পেটে পানি জমতে পারে। যার ফলে রক্ত নালিতে fluid এর পরিমান কমে যাবে এবং শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গে রক্তের সরবরাহ কমে যাবে। এই সমস্ত লক্ষন দেখা দিলে রোগিকে অবশ্যই হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।

ডেঙ্গু জ্বরের সতর্ক বার্তা

প্রচণ্ড পেটে ব্যাথা হওয়া,বমি হওয়া,রক্তপাত হওয়া শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে, প্রস্রাব অল্প পরিমানে হওয়া,অতরিক্ত দুর্বলতা অনুভব করা,শ্বাসকষ্ট কষ্ট অনুভব করা। এই সময় সারা শরীরে চুলকানি হতে পারে।

ডেঙ্গু রোগের কিছু চিকিৎসা সমূহ

ডেঙ্গু জ্বরের নির্দিষ্ট কোন চিকিৎসা নেই।রোগের লক্ষন অনুযায়ী চিকিৎসা করতে গ্রহন করতে হবে। জ্বরের জন্য paracitamol ৬ঘণ্টা পরপর দিতে হবে, পানি শূন্যতা প্রতিরোধ এর জন্য প্রচুর সালাইন,ডাবের পানি,জুস দিতে হবে। বাচ্চা এবং বয়স্কদের তাড়াতাড়ি হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে কারন তাদের শারীরিক অবস্থা তাড়াতাড়ি খারাপ হয়ে যায়।

ডেঙ্গু মশা প্রতিরোধে করোনীয়

ডেঙ্গু মশা প্রতিরোধে আপনার করোনীয় হচ্ছে বসত বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। বদ্ধ জলাশয় নিয়মিত পরিষ্কার করা,ভঙ্গা হাড়ি,ডাবের খোসা ও টায়ার জাতীয় জিনিসে পানি জমতে না দেয়া। প্রয়োজনে কীটনাশক প্রয়োগ করা এবং রাদে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই মশারী ফেলে ঘুমা।

আরো পড়ুন

বিভিন্ন জ্বরের লক্ষন ও এর প্রতিকার সূমহ

আজীবন সুস্থ থাকার সেরা ৮ টি উপায় ২০২১

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post