-->

how to speed up phone performance and run faster without root-স্লো ফোনের স্পীড বাড়িয়ে রকেট বানিয়ে ফেলুন

প্রযুক্তির এ যুগে সবচেয়ে বেশি ব্যবহারিত ডিভাইস হচ্ছে স্মাট ফোন। এ জন্য বলা হয় বতর্মান সময় টা হচ্ছে স্মার্ট ফোনের যুগ। সাধ্যের মধ্যে হওয়ায় চাহিদা ও প্রচুর। বর্তমানে ৮৫-৯০ ভাগ মানুষ অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করে থাকে।

how to speed up phone performance and run faster without root-স্লো ফোনের স্পীড বাড়িয়ে রকেট বানিয়ে ফেলুন
how to speed up phone performanc


এটি একটি অ্যান্ড্রয়েড লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম। তাই যার বাজেট যতোটুকু ততোটুকু দিয়ে কিনতে পারেন। কিন্তু প্রথম অবস্থায় ফোনটি ভালো সার্ভিস দিলেও কিছু দিন পর সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। ফোনটি ব্যবহার করতে গিয়ে আমদের মনে অনেক প্রশ্ন জেগে উঠে। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমন যেটার সম্মুখীন হতে হয় এবং কম বেশি সবার প্রশ্ন সেটা হলে ভাই আমার ফোনটা দিন দিন স্লো-Slow হয়ে যাচ্ছে। এটার স্পীড টা কিভাবে বাড়ানো যায়-how to speed up phone performance and run faster? আমার অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল টির আগের মতো পারফরমেন্স কিভাবে ফিরিয়ে আনবো।

এটার স্পিড টা কিভাবে ইম্প্রুভ করবো? যদিও প্রশ্ন টি কমন ও ছোট একটা সমস্যা তবে এটার সমাধান সঠিক ভাবে না করলে ফোনটি দ্রুত ড্যামেজ হয়ে যাবে। এটা সমাধানের জন্য ফোন সম্পর্কে আপনার কিছু ধারণা থাকা দরকার এ সমস্যায় আপনি পড়বেন আর যদি ইতিমধ্যে পড়ে থাকেন তাহলে খুব ইজিলি সমাধান করতে পারবেন কোনো প্রকার রুট করা ছাড়ায়-without root। তাই আমি আজ কিভাবে স্পীড ও পারফরমেন্স ইম্প্রুভ করে ফোনটি আগের অবস্থায় নিয়ে আসবেন সেই নিয়ে বিস্তারিত সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করবো যা আপনি অনুসরন করলে আপনার ডিভাইস এর ৪০-৫০% স্পীড বাড়াতে পারবেন।

ডিভাইস সম্পর্কে ধারনা

আপনি যেই ফোনই কিনেন না কেন সবার আগে আপনি আপনার নিজের মোবাইল অথবা অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস সম্পর্কে জানুন। যেমন আপনার মোবাইল এর মডেল কি, এটার প্রসেসর স্পীড কেমন দেয় বা কোন প্রসেসর ভালো বেশি, র্যাম-RAM কতটুকু আছে ফোন স্টোর কতো এগুলো সম্পর্কে জেনে নেয়া। কারন আপনি যদি জানেন যে আপনার ফোনের কনফিগারেশন কি তাহলে সেটি ব্যবহার করতে খুব সহজ হবে।

ধরুর আপনার ফোনটি ২জিবি Ram এর আর আপনি যদি ৪জিবি Ram এর গেম ইনস্টল করে খেলেন তাহলে আপনার ফোনটি অবশ্যই স্লো-slow যাবে।যেমন ধরুন আপনার বহন করার ক্ষমতা ৫০ কেজি কিন্তু আপনকে যদি ৫০ কেজির দুটি বস্তা দিয়ে ১০০ কেজি চাপিয়ে দেয়া হয় তাহলে আপনারকি অবস্থা হবে একবার ভাবুন তো অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ও সেই রকম যতোটুকু বহন করার ক্ষমতা ততোটিকু দেয়া উচিত। আপনি ফোনের ভারশন বেশি দেখে নিলেন কিন্তু Ram,Rom,processor,Store বেশি না হয় তাহলে বেশি র্ভারশনে লাভ হবে না কারন আপনার ডিভাইস এর কেপাসিটি এর উপর নির্ভর করবে তার স্পীড কতটা হবে অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন এর উপর না।

নিয়মিত আপডেট করা

আপনার ফোনের ফার্মওয়্যার ভার্সন টি আপডেট করে নিন। যেমন এখন 8.1.0 ভার্সন চলছে কিন্তু আপনি ইউজ করছেন 7.0 ভার্সন। তাহলে আপনার ডিভাইস টি তুলনামূলক ভাবে SLOW থাকবে। তাই আপডেট করে নিন। তবে হ্যাঁ আপডেট করার আগে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে আপডেটি করবেন সেটি আপনার ডিভাইস এ চলবে কিনা অথবা আপনার ডিভাইস সেটা উপযোগী কি না। কারন যদি ভারসন সাপোর্ট না করে তাহলে দেওয়ার পর সেট ডেট হয়ে যেতে পারে। ভালো হবে যদি অফিসিয়াল আপডেট গুলা করন তাহলে।

 

অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ব্যবহার বন্ধ বা ডিলিট করা

আমাদের ডিভাইস SLOW হয়ে যাওয়ার প্রধান কারন হচ্ছে অধিক মাত্রায় অ্যাপ ব্যবহার করা। কারন আমরা অনেকেই করি কি অধিক মাত্রায় অ্যাপ ডাউনলোড ও ইন্সটল করি যা আমরা ইউজ করিনা। করলেও মাঝে মাঝে ইউজ করি। কিন্তু আপনি বুঝতেই পারছেন না যে  এই অ্যাপ টি আপনার ডিভাইস এর জায়গা দখল করে আছে। অনেক অ্যাপ আছে ব্যাকগ্রাউন্ড এ রানিং থাকে আর তাই একটু হলেও RAM ইউজ হতে থাকে। ধরেন এরকম ৫-৭ টি অ্যাপস আছে আপনার ডিভাইসে আর যদি ৫-৭ টি ১০ এমবি করে RAM খায় তাহলে ৫০-৭০ এমবি যাচ্ছে এবং এটি অযথা। এতে করে আপনার ডিভাইস স্পীড কমে যাচ্ছে। তাই যে গুলো আপনার কাছে অপ্রয়োজনীয় মনে হয় সেগুলো আনইন্সটল করে দিন এতে ফোনের গতি বজায় থাকবে।

অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ডিসেবল করুন

ধরে নিলাম আপনি অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ রিমুভ করলেন। এবার আসুন জেগুলা রেখেছেন সেগুলারে একটু মডিফাই করি। যেমন ধরুন Skype,Facebook,Twitter,Viber,WhatsApp ইত্যাদি অ্যাপ গুলো আমরা বেশিরভাগ অ্যান্ড্রয়েড ইউজার গন ব্যবহার করে থাকি। কিন্ত এখানে কথা হলো এই অ্যাপ এর সবগুলো ওপেন করি তখন ব্যাকগ্রাউন্ড এ রানিং থাকে যতক্ষণ না আপনি ক্লোজ করবেন। সুতরাং যেই অ্যাপস টি ব্যবহার করা শেষ হবে সেটির ক্লোজ করেদিন। এবং Force stop করে দিন।কতো গুলো অ্যাপস রানিং আছে দেখার জন্য  Settings>App>Running এ গেলে আপনি দেখতে পারবেন কোন অ্যাপ গুলো এখন রানিং এ আছে।

নিয়মিত অ্যাপস আপডেট করা

আমরা সচারচর যে অ্যাপস গুলো ব্যবহার করে থাকি সে গুলো নিয়মিত আপডেট করা। এখন বলবেন কি দরকার আমার অ্যাপস কি চলছে না হ্যাঁ আপনার অ্যাপস চলবে তবে অ্যাপ ডেভোলপাররা তাদের সমস্যা গুলো আপডের মাধ্যমে সমাধান কর থাকে এছাড়াও নতুন নতুন অনেক ফিচার এড করে তাদের অ্যাপ এ । তাই কিছু সময় পর পর অনেক অ্যাপ এর আপডেট পাওয়া যায়। তাই আপনার ডিভাইস এ থাকা অ্যাপ গুলো আপডেট করে নেয়ার চেষ্টা করবেন।

ভালো মানের মেমোরি কার্ড ব্যবহার করা 

আমরা যারা স্মাট ফোন ব্যবহার করি তারা অবশ্যই মেমোরি বা এসডি কার্ড ব্যবহার করে থাকি সেটা কম স্টোরেজ হোক আর বেশি হোক। আমরা অনেকে একটা ভুল করে থাকি। আমরা করি কি অল্প টাকা দিয়া একটা চাইনা মেমোরি কিনে সেটা মোবাইল এ ব্যাবহার করি। চাইনা কম দামী মেমোরি গুলো স্টোর বেশি থাকলেও এর স্পীড অনেক কম থাকে। তাই ভালো মানের মেমোরি কার্ড ব্যাবহার করার চেষ্টা করবেন। এতে আপনার ফোনের গতি বজায় থাকবে।

ফোনের হোম স্কিন এর ব্যাবহার

আমরা সবাই করি কি ফোনের হোমস্ক্রিন গুলোকে ফুলের বাগান এর মতো সাজাই। কিন্তু আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে আপনার বাগানের মতো ডিজাইন করতে গিয়ে আপনার মোবাইল টা যে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। তাই মোবাইলের হোম স্কিন প্রয়োজন না হলে বেশি কি রাখবেন না।

 লাইভ ওয়ালপেপার ব্যাবহার বন্ধ করা

আমরা অনেকেই ফোনে Live Wallpapers ব্যবহার করি। কিন্তু লাইভ ওয়ালপেপার ফোনের জন্য খুবই ক্ষতি কর। এটার ফলে ফোনের ram এর উপর চাপ পড়ে ও ব্যাটারী চার্জ দ্রুত শেষ হয় তাই এগুলো ব্যবহার বন্ধ করুন। চাইলে লাইভ ওয়ালপেপার এর বদলে নিজের বা যে কোনো ইমেজ বা ছবি ব্যবহার করতে পারেন।

ইন্টারনেট সংযোগ

আপনার দরকার অনুয়ায়ী ডাটা বা ইন্টারনেট সংযোগ চালু করেন। কাজ শেষ হয়ে গেলে ইন্টারনেট কানেকশন অফ করে দিবেন অযথা সব সময় চালু রাখবেন না। এর ফলে অনলাইন অ্যাপস গুলো ডাটা বা ওমবি রিসিভ করতে থাকে এতে আপনার ফোনটি স্লো হবার চান্স থাকে। 

আসলে ফোন গুলো নষ্ট হয় আমাদের অবহেলা বা ফোন সম্পর্কে যথেষ্ট ধারনা না থাকার কারনে। তাই আপনার ফোনকে সুপার ফাস্ট রাখতে যে বিষয় গুলো বলা হয়েছে সেগুলো ফলো করবেন আশা করি আপনার ফোনটি কখনো স্লো হবে না। 

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post